আয়কর প্রশ্নোত্তর

product 1

আপনার প্রতিভা প্রকাশের মাধ্যমে ঘরে বসেই আয় করুন প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়ে, Income Tax Matters আয়কর বিষয়ে সবাই কে সচেতন করুন

দেওয়ানী প্রশ্নোত্তর

product 1

আপনার প্রতিভা প্রকাশের মাধ্যমে ঘরে বসেই আয় করুন প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়ে, Civil Matters দেওয়ানী বিষয়ে সবাই কে সচেতন করুন

ফৌজদারি প্রশ্নোত্তর

product 1

আপনার প্রতিভা প্রকাশের মাধ্যমে ঘরে বসেই আয় করুন প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়ে,Criminal Matters ফৌজদারি বিষয়ে সবাই কে সচেতন করুন

যারা ইয়ে করে বিয়ে করতে যাচ্ছেন, পালিয়ে বিয়ে করার যত আইনী পরামর্শ:

Unknown | October 14, 2017 | 1 comments



আমাদেরদেশের আইন আদালত সম্পর্কে যাদের ধারনা কম তাদের এই লেখা কাজে আসতে পারে।আর এই লেখার উদ্দেশ্য পালিয়ে বিয়ে করতে উথসাহিত করা নয়, বরং পালিয়ে বিয়েকরার পর রিস্ক গুলো সম্বন্ধে সাবধান করা।
পালিয়ে বিয়ে করতে গেলে আপনাদের, মুসলিম ছেলে মেয়েদের, অনেকের মনে নানা প্রশ্ন দেখা দেয় যেমন বিয়েরপরে কোনো সমস্যা হবেনাতো বা বিয়েটার বৈধতা কেমন হবে। বিয়েটাই বা কোথায় করতে হবে? কোর্টে নাকি কাজী অফিসে? ছেলেরা ভাবে, মেয়ের বাবা যদি মামলা করে দেয় নারী নির্যাতনের? তাহলে কি জেল টেল খাটতে হবে? ইত্যাদি।
অনেকে ভাবেন এসব ক্ষেত্রে হয়ত কোর্ট ম্যারেজ করতে হবে। কোর্ট ম্যারেজ টার্মটা আমরা প্রায়ই শুনে থাকি। কিন্তু এটা নিয়ে অনেকের এক্টু ভুল ধারনা আছে। অনেকে যারা অভিভাবকের সম্মতি ছাড়া বা পালিয়ে বিয়ে করতে চায় তারা কোর্ট মারেজ করতে যায় বা করতে চায়।
অনেকে মনে করেন কোর্ট ম্যারেজ হয়তো কোর্টে গিয়ে বিয়ে করা। অথবা মাজিস্ট্রেট-এর সামনে বিয়ে করা। আসলে তা নয়। কোর্ট ম্যারেজ করতে হলে আপনাকে যেতে হবে কোন নোটারী পাবলিকের (সরকারী রেজিস্টার্ড উকিল) কাছে। তিনি আপনাদেরকে (বর-কনে) ১০০ বা ২০০ টাকার স্ট্যাম্পে একটি হলফনামায় সই করাবেন যাতে লিখা থাকবে আপনারা প্রাপ্তবয়স্ক এবং স্বজ্ঞানে-সেচ্ছায় বিয়ে করেছেন।
তার মানে কি দাড়ালো? বিয়ে আপনাদেরকে আগেই করতে হবে। কোথায়? যথারিতি কাজী অফিসে। রেজিস্ট্রী কাবিন মুলে। কাজী অফিসে কাবিননামায় সই করতে হবে। কাজি সাহেবকে আপনাদের এস.এস.সি-এর সার্টিফিকেট বা জাতীয় পরিচয়পত্র দেখাতে হবে বয়স প্রমানের জন্য। বয়স অবশ্যই আঠারো (মেয়ে) ও একুশ (ছেলে) হতে হবে। আর লাগবে দুইজন সাক্ষী। আর অই কাবিন নামাই আপনাদের বিয়ের প্রধান আইনী দলিল। আর নোটারী পাবলিকের কাছে গিয়ে আপনি শুধুই দলিলের আরও একটা সম্পূরক আইনী দলিল করে রাখলেন ভবিষ্যতে মামলা টামলায় একটু সুবিধা পেতে।
তবে জেনে রাখবেন, নোটারী পাবলিকের কাছে করা হলফনামার কোনো দাম নেই যদি আপনার কাবিননামা না থাকে। কাবিননামা থাকলে আপনার বিয়ের পক্ষে আর কোনো ডকুমেন্টই লাগবে না। কাবিননামাই সব।
এক পক্ষ হিন্দু বা মুসলিম বা অন্য ধর্মের হলেও, ধর্ম পরিবর্তন না করেই বিয়ে করা সম্ভব।
বিয়ে হয়ে গেলে অনেক সময় পরে দুই পক্ষের বাবা মা-রা মেনে নেয়, অনেক সময় মেনে নেয় না। অনেক সময় মেয়ের বাবা ক্ষেপে গিয়ে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা করে বসে। মামলাগুলো হয় সাধারনত অপহরনপূর্বক ধর্ষনের। এই মামলাগুলোর জামিন বা রিমান্ড শুনানী এবং বিচার হয় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে। মামলার ধারাগুলো জামিন-অযোগ্য এবং আমলযোগ্য, মানে পুলিশ এসব ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট বা আদালতের পারমিশন ছাড়াই আসামিকে এরেস্ট করতে পারে। তাই যখন শুনবেন মামলা হয়েছে তখন থেকে কিছুদিন পালিয়ে থাকুন কারন পুলিশ ধরে নিয়েগেলে কিন্তু প্রথমেই জামিন হবেনা।
আর মানসিক ভাবে শক্ত থাকুন, দুজনেই। মামলা (উক্তরূপ) হবার পর তদন্ত শুরু হবে। ভিকটিম (মেয়ের বাবার চোখে মেয়েটি এখানে ভিকটিম)-এর জবানবন্দী দিতে হবে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-এর সামনে। এটি ২২ ধারার জবানবন্দি, ম্যাজিস্ট্রেট-এর চেম্বারে হয়। কেউ কোন প্রভাব খাটাতে পারে না। এখানে মেয়েকে বলতে হবে, “আমি সেচ্ছায় বিয়ে করেছি। আমাকে কেউ অপহরন করেনি। “ব্যাস!! তাহলে মামলায় পুলিশ আর চার্জশীট দেবে না। আসামি (ছেলে) অব্যাহতি পাবে।

Category:

আইনি প্রশ্নোত্তরে : smd Bayzid Hossain Helal . I'm administrator of smdbayzid.com .

1 comments

  1. Unknown says:

    ভালই লিখেছেন তবে ভিন্ন ধর্মালম্বির সাথে বিবাহ মানতে পারছি না। বিবাহ ও উত্তরাধিকান বন্টন অবশ্যই ধর্মীয় আইন মনতেই হবে।

Thank you so much for your Message.